
শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালী জেলা রাঙ্গাবালী উপজেলা চর মারগ্রেট হিন্দু সম্প্রদায়ের কবলা ও রেকর্ডের সম্পত্তি ও নাকি সরকারি খাস জমি। পটুয়াখালী জেলা রাঙ্গাবালী উপজেলা চর মারগ্রেট ইউনিয়ন দারভাঙ্গা গ্রামের আমার জন্ম, বাবা নাম বঙ্কিম চন্দ্র ভুঁইয়া, আমার নাম মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া,আমার দাদা কবলা দলিল করা ও আমার দাদা রেকর্ডের সম্পত্তি মালিক হচ্ছে আমার বাবা, জোর পূর্ব দখল করে চর মারগ্রেট গ্রামের ইসলাম ধর্মের লোক, মোঃ মোস্তফা ও জাহাঙ্গীর ও তার গাং গ্রামের কিছু বকাটে ছেলে,
ও তাদের লোকজন। পটুয়াখালী জেলা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা প্রভাবশালীদের দখলে সরকারি খাস জমি এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গাবালী উপজেলা ও উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ কোটি কোটি টাকার সরকারি খাস জমি অবৈধ দখলে চলে গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের একটি চক্র এ সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতঘর-বাড়ি। কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে সু চতুর ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী নেতারা যে যার মত করে জায়গা দখল করে আবার অনেকে বালু, মাটি দিয়ে ভরাট করে রাতারাতি ঘরবাড়ি স্থাপনা গড়ে তুলেছে। যেভাবে সরকারি জায়গা দখল হচ্ছে, বছরের পর বছর অতিবাহিত হলেও এ সব সম্পত্তি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন উদ্যোগ নেই।
উক্ত উপজেলার রাঙ্গাবালী ইউনিয়নে চর মারগ্রেট এলাকার বিভিন্ন জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ী। চর মোন্তাজ ইউনিয়নে চর মারগ্রেট গ্রামের , সহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি জমিতে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে ও বসতবাড়ী। চর মোন্তাজ ইউনিয়নের সহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সম্পত্তি অবৈধ ভাবে ভোগ দখল করছে প্রভাবশালীরা। জাহাঙ্গীর ও তার লোক জন চর মোন্তাজ ইউনিয়নের দারভাঙ্গা নামে পরিচিত , সহ বিভিন্ন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সরকারি খাস জায়গা অবৈধ দখলে। ইউনিয়নের সহ বিভিন্ন যায়গায় রয়েছে অবৈধ স্থাপনা।
চর মোন্তাজ ইউনিয়নের বাজার গেইট সহ বিভিন্ন গেইটের সাথে মিলিয়ে অগনিত কাঁচা পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করে সরকারি জায়গা উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ পুলিশ সহ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী। রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সরকারি জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Reporter Name 








