ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের প্যারিসে সম্পন্ন হলো ফ্রাঙ্কো-বাংলা সামার ফেস্ট-২০২৬ হাইমচরে ইউএনও’র অ্যাকশন: আলগী বাজারের হালিম চত্বর দখলমুক্ত, জরিমানা পত্নীতলায় মাসব্যাপী গ্রামীণ শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন প্রবাসীদের আইনি সহায়তা, ট্রাভেল সার্ভিস ও রেমিট্যান্স সেবায় রোমে ‘গ্লোবাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস’ উদ্বোধন নওগাঁর রানীনগরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনার অভিযুক্ত নিশান আটক ইতালিতে কাউন্সিলার রাসেল আহমেদকে গণসংবর্ধনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে ফতুল্লায় জামায়াতের সমাবেশে অধ্যাপক গিয়াস জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে হাইমচরে গণমিছিল ছাত্র জনতার বিপ্লবের প্রতিফলন এদেশের মানুষ এখনো পায়নি রামগঞ্জে জুলাই যোদ্ধা সানজিদা চৌধুরী

চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ বার

আফতাবুল ইসলাম মেহরাব:

চাঁদপুর শহরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সন্তান হারানোর’ অভিযোগের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। শিশুটির মা শিউলি বেগম দাবি করেছেন, স্বামীর পরামর্শেই তিনি ৬ মাস বয়সী সন্তান লামহাকে অন্যের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

চাঁদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর ভাঙারপোল এলাকার বাসিন্দা শিউলি বেগমের সন্তান লামহাকে শহরের জেসমিন আক্তার ও তার স্বামী কামরুল ইসলাম আদালতের মাধ্যমে দত্তক নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

শিউলি বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী লিটন খান নিয়মিত কাজ করেন না এবং নেশায় জড়িত। সংসারের আর্থিক সংকট ও ঋণের কারণে স্বামীই সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে টাকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে লিটন খানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে লিটন খান দাবি করেছিলেন, স্ত্রী কিস্তির টাকা তুলতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং সন্তান দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।
এদিকে শিশুটির নানী পারুল বেগম জানান, শনিবার রাতে আদালতের মাধ্যমে দত্তক নেওয়া শিশুটিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, দত্তক নেওয়া দম্পতির দেওয়া ৩০ হাজার টাকার বিপরীতে ৩৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে শিশুটিকে নিয়ে এসেছেন তারা।

এর আগে শিশুটিকে মলম পার্টির সদস্যরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হলেও পুলিশের অনুসন্ধানে আদালতের মাধ্যমে দত্তক দেওয়ার তথ্য বেরিয়ে আসে। চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে শিশুটির মা দত্তকের বিষয়টি স্বীকার করেন।
তবে শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন এবং পরবর্তীতে শিশুকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আইনগতভাবে কতটা সঠিক ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের

চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের

আপডেট টাইম : ০৬:৩১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

আফতাবুল ইসলাম মেহরাব:

চাঁদপুর শহরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সন্তান হারানোর’ অভিযোগের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। শিশুটির মা শিউলি বেগম দাবি করেছেন, স্বামীর পরামর্শেই তিনি ৬ মাস বয়সী সন্তান লামহাকে অন্যের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

চাঁদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর ভাঙারপোল এলাকার বাসিন্দা শিউলি বেগমের সন্তান লামহাকে শহরের জেসমিন আক্তার ও তার স্বামী কামরুল ইসলাম আদালতের মাধ্যমে দত্তক নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

শিউলি বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী লিটন খান নিয়মিত কাজ করেন না এবং নেশায় জড়িত। সংসারের আর্থিক সংকট ও ঋণের কারণে স্বামীই সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে টাকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে লিটন খানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে লিটন খান দাবি করেছিলেন, স্ত্রী কিস্তির টাকা তুলতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং সন্তান দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।
এদিকে শিশুটির নানী পারুল বেগম জানান, শনিবার রাতে আদালতের মাধ্যমে দত্তক নেওয়া শিশুটিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, দত্তক নেওয়া দম্পতির দেওয়া ৩০ হাজার টাকার বিপরীতে ৩৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে শিশুটিকে নিয়ে এসেছেন তারা।

এর আগে শিশুটিকে মলম পার্টির সদস্যরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হলেও পুলিশের অনুসন্ধানে আদালতের মাধ্যমে দত্তক দেওয়ার তথ্য বেরিয়ে আসে। চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে শিশুটির মা দত্তকের বিষয়টি স্বীকার করেন।
তবে শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন এবং পরবর্তীতে শিশুকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আইনগতভাবে কতটা সঠিক ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।