ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
৪৭ টি বুলেটের আঘাতের পরও আহতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি রামগঞ্জের সিহাব মতলবে সেলাই মেশিন ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১, ভারতীয় প্যান্টপিস-জিরা উদ্ধার নিখোঁজ সংবাদ রামগঞ্জে গাজা ও ইয়াবা সেবনের অপরাধে বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার হাতিয়ায় প্রিপেইড মিটারে চরম দুর্ভোগ: সিন্ডিকেটের জিম্মায় গ্রাহক, ভূতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ জনজীবন উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত নারীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার! রায়পুরে মোবাইলে বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত নারীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার! রায়পুরে মোবাইলে বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের প্যারিসে সম্পন্ন হলো ফ্রাঙ্কো-বাংলা সামার ফেস্ট-২০২৬

চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:৩১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৫ বার

আফতাবুল ইসলাম মেহরাব:

চাঁদপুর শহরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সন্তান হারানোর’ অভিযোগের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। শিশুটির মা শিউলি বেগম দাবি করেছেন, স্বামীর পরামর্শেই তিনি ৬ মাস বয়সী সন্তান লামহাকে অন্যের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

চাঁদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর ভাঙারপোল এলাকার বাসিন্দা শিউলি বেগমের সন্তান লামহাকে শহরের জেসমিন আক্তার ও তার স্বামী কামরুল ইসলাম আদালতের মাধ্যমে দত্তক নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

শিউলি বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী লিটন খান নিয়মিত কাজ করেন না এবং নেশায় জড়িত। সংসারের আর্থিক সংকট ও ঋণের কারণে স্বামীই সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে টাকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে লিটন খানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে লিটন খান দাবি করেছিলেন, স্ত্রী কিস্তির টাকা তুলতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং সন্তান দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।
এদিকে শিশুটির নানী পারুল বেগম জানান, শনিবার রাতে আদালতের মাধ্যমে দত্তক নেওয়া শিশুটিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, দত্তক নেওয়া দম্পতির দেওয়া ৩০ হাজার টাকার বিপরীতে ৩৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে শিশুটিকে নিয়ে এসেছেন তারা।

এর আগে শিশুটিকে মলম পার্টির সদস্যরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হলেও পুলিশের অনুসন্ধানে আদালতের মাধ্যমে দত্তক দেওয়ার তথ্য বেরিয়ে আসে। চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে শিশুটির মা দত্তকের বিষয়টি স্বীকার করেন।
তবে শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন এবং পরবর্তীতে শিশুকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আইনগতভাবে কতটা সঠিক ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

৪৭ টি বুলেটের আঘাতের পরও আহতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি রামগঞ্জের সিহাব

চাঁদপুরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে সন্তান হারানো’ অভিযোগে নতুন মোড়, স্বামীর পরামর্শে দত্তকের দাবি মায়ের

আপডেট টাইম : ০৬:৩১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

আফতাবুল ইসলাম মেহরাব:

চাঁদপুর শহরে ‘মলম পার্টির খপ্পরে পড়ে সন্তান হারানোর’ অভিযোগের ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। শিশুটির মা শিউলি বেগম দাবি করেছেন, স্বামীর পরামর্শেই তিনি ৬ মাস বয়সী সন্তান লামহাকে অন্যের কাছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

চাঁদপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর ভাঙারপোল এলাকার বাসিন্দা শিউলি বেগমের সন্তান লামহাকে শহরের জেসমিন আক্তার ও তার স্বামী কামরুল ইসলাম আদালতের মাধ্যমে দত্তক নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

শিউলি বেগম অভিযোগ করেন, তার স্বামী লিটন খান নিয়মিত কাজ করেন না এবং নেশায় জড়িত। সংসারের আর্থিক সংকট ও ঋণের কারণে স্বামীই সন্তানকে অন্যের কাছে দিয়ে টাকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে লিটন খানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে লিটন খান দাবি করেছিলেন, স্ত্রী কিস্তির টাকা তুলতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন এবং সন্তান দেওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না।
এদিকে শিশুটির নানী পারুল বেগম জানান, শনিবার রাতে আদালতের মাধ্যমে দত্তক নেওয়া শিশুটিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, দত্তক নেওয়া দম্পতির দেওয়া ৩০ হাজার টাকার বিপরীতে ৩৫ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে শিশুটিকে নিয়ে এসেছেন তারা।

এর আগে শিশুটিকে মলম পার্টির সদস্যরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হলেও পুলিশের অনুসন্ধানে আদালতের মাধ্যমে দত্তক দেওয়ার তথ্য বেরিয়ে আসে। চাঁদপুর সদর থানার ওসি মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে শিশুটির মা দত্তকের বিষয়টি স্বীকার করেন।
তবে শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন এবং পরবর্তীতে শিশুকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আইনগতভাবে কতটা সঠিক ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।