ঢাকা ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
খানসামায় ফুটবল বিতরণ, শিক্ষার্থীদের গণিত ক্লাস নিলেন ইউএনও রোমে বৃহত্তর ঢাকা সমিতির প্রথম কার্যকরী সভা অনুষ্ঠিত চাঁদপুরে সাংবাদিকদের জন্য তিন দিনব্যাপী এআই ও ফ্যাক্ট-চেকিং প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি, ইউএই-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন এপি স্টুডিওতে ‘আজকের মুখ্যমন্ত্রী’ চলচ্চিত্রের মহরত বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ইউনিটি, ইউএই-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন হাজীগঞ্জে এতিমদের জন্য বরাদ্দ গেলো ইউপি সদস্যের পকেটে ই-পাসপোর্টের দীর্ঘ ভোগান্তির পর বিশেষ কনস্যুলার সেবা, স্বস্তিতে ফ্রান্সপ্রবাসীরা গাইবান্ধায় র‍্যাবের অভিযানে ১,২৭০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার দীর্ঘ দেড় বছরেও ইতালি বিএনপির কমিটি পুনর্গঠন না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন প্রস্তাবিত আহ্বায়ক কমিটি

ভাইরাল নির্যাতনের ভিডিও: শিশুর মুখে বেত ঢুকিয়ে হাসলেন শিক্ষক, পরে ক্ষমা প্রার্থনা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:২১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪ বার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: 

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার একটি মাদ্রাসায় এক শিশুশিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত সাবেক শিক্ষক ইমরান হোসেন নিজেই ভিডিওটি ধারণ ও প্রকাশ করেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “পিচ্চি পোলাপানকে কান্না করাতে ভালোই লাগে”, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, কান্নারত এক শিশুর মুখে বারবার বেত ঢুকিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। শিশুটি আতঙ্কে ও যন্ত্রণায় কাঁদতে থাকলেও অভিযুক্ত শিক্ষক থামেননি। ১৬ জুলাই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তিনি পোস্টটি মুছে দেন এবং নিজের অ্যাকাউন্টও ডিলিট করেন।

সমালোচনার মুখে শনিবার এক ভিডিও বার্তায় ইমরান হোসেন দাবি করেন, তিনি শিশুটিকে মারধর করেননি; দুষ্টামি করতে গিয়ে মুখে বেত ধরেছিলেন। ঘটনাটি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় দুই মাস আগেই বিভিন্ন অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং অনুমতি ছাড়া শিশুদের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে ইমরান হোসেনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের ধারণা, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তিনি শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে ধারণ করেছিলেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, ঘটনাটি পুলিশের নজরে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে এলাকায় অবস্থান করছেন না। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আলোচিত

খানসামায় ফুটবল বিতরণ, শিক্ষার্থীদের গণিত ক্লাস নিলেন ইউএনও

ভাইরাল নির্যাতনের ভিডিও: শিশুর মুখে বেত ঢুকিয়ে হাসলেন শিক্ষক, পরে ক্ষমা প্রার্থনা

আপডেট টাইম : ০৬:২১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: 

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার একটি মাদ্রাসায় এক শিশুশিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত সাবেক শিক্ষক ইমরান হোসেন নিজেই ভিডিওটি ধারণ ও প্রকাশ করেন। ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “পিচ্চি পোলাপানকে কান্না করাতে ভালোই লাগে”, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, কান্নারত এক শিশুর মুখে বারবার বেত ঢুকিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। শিশুটি আতঙ্কে ও যন্ত্রণায় কাঁদতে থাকলেও অভিযুক্ত শিক্ষক থামেননি। ১৬ জুলাই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তিনি পোস্টটি মুছে দেন এবং নিজের অ্যাকাউন্টও ডিলিট করেন।

সমালোচনার মুখে শনিবার এক ভিডিও বার্তায় ইমরান হোসেন দাবি করেন, তিনি শিশুটিকে মারধর করেননি; দুষ্টামি করতে গিয়ে মুখে বেত ধরেছিলেন। ঘটনাটি ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় দুই মাস আগেই বিভিন্ন অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ এবং অনুমতি ছাড়া শিশুদের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগে ইমরান হোসেনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের ধারণা, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তিনি শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে ধারণ করেছিলেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, ঘটনাটি পুলিশের নজরে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে এলাকায় অবস্থান করছেন না। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।