
বাইজিদ মন্ডল দক্ষিন চব্বিশ পরগনা:
শুভ মহরতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটভিত্তিক এই নতুন বাংলা সিনেমা। ছবির ঘোষণা ঘিরে উপস্থিত শিল্পী, কলাকুশলী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও আগ্রহ।
নির্মাতাদের দাবি, বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বাস্তবতা, ক্ষমতার পালাবদল, রাজনৈতিক সংঘাত, জনমত, আন্দোলন এবং সামাজিক টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে ছবির কাহিনি। বাস্তব রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ছবির গল্প এগোবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা। তাঁদের মতে, শুধুমাত্র বিনোদন নয়, দর্শকদের ভাবনার নতুন দিকও তুলে ধরবে এই চলচ্চিত্র।
ছবির কাহিনি, চিত্রনাট্য, সংলাপ, সংযোজন ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন শিবপ্রসাদ রায়। চিত্রগ্রহণ করেছেন মনোজিৎ, সম্পাদনার দায়িত্বে সুমন্ত ঘোষ, এবং রূপসজ্জা ও শিল্প নির্দেশনায় রয়েছেন শম্ভু চিত্রকর। নির্মাতাদের দাবি, ছবির প্রতিটি বিভাগেই বাস্তবধর্মী উপস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শুভ মহরতের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একাধিক বিশিষ্ট শিল্পী ও কলাকুশলী। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেবশ রায়চৌধুরী, সোমা চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, চন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য-সহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে ছবির কলাকুশলীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সফলতা কামনা করেন উপস্থিত অতিথিরা।
নির্মাতাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ছবির একাধিক রাজনৈতিক চরিত্র সমসাময়িক বাস্তব ঘটনাপ্রবাহ থেকে অনুপ্রাণিত। ছবিতে শুভেন্দু অধিকারী-অনুপ্রাণিত একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন চন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য। এছাড়াও আরও একাধিক পরিচিত অভিনেতা-অভিনেত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন, যাঁদের অভিনয় ছবিটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নির্মাতারা।
পরিচালক শিবপ্রসাদ রায় জানান, বর্তমান সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে চলচ্চিত্রের ভাষায় তুলে ধরাই এই ছবির মূল লক্ষ্য।
তাঁর বিশ্বাস, ‘আজকের মুখ্যমন্ত্রী’ শুধু একটি রাজনৈতিক চলচ্চিত্র হিসেবেই নয়, সমাজ ও রাজনীতিকে নতুনভাবে ভাবার একটি মাধ্যম হিসেবেও দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। মুক্তির পর ছবিটি রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দেবে বলেও আশাবাদী তিনি।
Reporter Name 




















